![]() |
| ইতিহাস S.A.Q |
পড়াশুনা 👨🏻🏫
আজ আপনাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ইতিহাস M.C.Q প্রশ্নোত্তর পর্ব - ১, যেটিতে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস S.A.Q প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হয়েছে। এ প্রশ্নগুলি আপনাদের যেকোনো পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভীষণভাবে উপকার করবে।
ইতিহাস S.A.Q
1. মানুষ যে সময়ে লিখতে শেখেনি সেই সময়টাকে বলা হয়-
উত্তর :- প্রাক্-ঐতিহাসিক
2. মহাদেশের মতোই বড়ো অঞ্চলকে বলে-
উত্তর :- উপমহাদেশ
3. প্রাচীন কালে লেখা হত-
উত্তর :- পাথর বা ধাতুর পাতে
4. প্রত্ন কথার অর্থ হল-
উত্তর :- পুরোনো
5. ধর্মভিত্তিক সাহিত্যের মধ্যে প্রধান হল-
উত্তর :- বৈদিক সাহিত্য
6. আনন্দ করে ইতিহাস বই পড়া যায় কী উপায়ে?
উত্তর :- অনেক ছবি, মজার কথা, অজানা কথা গল্পের মতো করে বললে ইতিহাস আনন্দ করে পড়া যায়।
7. গল্পের মতো মজা পাওয়া যায় কোন্ বই পড়ে?
উত্তর :- ইতিহাস বই পড়ে
8. মিক্সার মেশিন কীসে চলে?
উত্তর :- বিদ্যুতে চলে
9. হামানদিস্তা, শিলনোড়া আর মিক্সার মেশিন আগে-পরে কে এসেছে?
উত্তর :- প্রথমে এসেছে শিলনোড়া, তারপর হামানদিস্তা, তারপর মিকসার
10. নদীর ওপর নির্ভর করে যেসব পুরোনো সভ্যতা গড়ে উঠেছিল তাদের কী বলা হয়?
উত্তর :- নদীমাতৃক সভ্যতা
11. ইতিহাসে অনেক নাম, সাল, তারিখ মনে রাখতে হয় কেন?
উত্তর :- পুরোনো দিনের যেসব ঘটনা ইতিহাস বইতে লেখা থাকে সেগুলিকে আগে-পরে সাজিয়ে বিচার করলে
হয়। আবার, বিভিন্ন নামগুলি মনে রাখতে হয় তাদের কাজকর্ম জানার জন্য। প্রতিদিন আমাদের জীবনের প্রয়োজ নাম আমাদের জানতে হয়। সভ্যতার অগ্রগতির লক্ষ্যে এ
অনেক জিনিস ব্যবহার করতে হয়। সেগুলির প্রতিটির জিনিস কবে কে কীভাবে আবিষ্কার করেছে তা আমাদের জানতে হয়। আর ওইসব জানতে গেলে আমাদের ইতিহ পড়তেই হয়। আর ইতিহাস পড়ে অনেক নাম সাল, তারিখ মনে রাখতে হয়।
12. নদীমাতৃক সভ্যতা কাকে বলে?
উত্তর :- আদিম মানুষ যখন ঘর বাঁধতে শিখল, যখন দলবদ্ধ হল তখন তারা খাদ্যের প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় হারে বেড়াতে লাগল। এক সময় মানুষ বুঝতে পারল নদীর তীরভূমিতে ভালো গাছপালা হয়। যেসব গাছের ফলমূল কিংবা দানাশস্য খেয়ে পেট ভরানো যায়। ফলে মানুষ নদীর তীরবর্তী এলাকাতেই বসবাস শুরু করল। নদীকে ঘিরেই বড়ে উঠল তাদের নিত্য দিনের জীবনযাত্রা। ধীরে ধীরে মানুষ একটু একটু করে সভ্য হল। মানুষ নদীর তীরভূমিকে আশ্রয় করেই তার সভ্য জীবনের ক্রমাগত বিস্তার ঘটাতে লাগল। সভ্যতার আদি পর্বে তাই নদী মানুষের মায়ের মতো ছিল বলেই নদীমাতৃক সভ্যতা বলা হয়।
13. শিলনোড়া, হামানদিস্তা আর মিক্সার মেশিন এই তিনটি জিনিস দিয়ে ইতিহাস সম্পর্কে কীভাবে বোঝানো সহজ?
উত্তর :- শিলনোড়া, হামানদিস্তা আর মিক্সার মেশিন এই তিনটি জিনিসের মধ্যে মানুষ কোনটি আগে এবং কোন্টি পরে ব্যবহার করেছে তা বোঝানো যায়। এবার প্রশ্ন আসবে কেন আগে এবং কেনই বাপরে। ইতিহাসের গল্পের পরবর্তী ধাপ হল এটাই। এর পরের কোপতা হল, কীভাবে মানুষ এটি ব্যবহার করেছে বা এর ব্যবহার শিখেছে? কিংবা মানুষ কীভাবে বস্তুটি বানাতে শিখল? ইতিহাসের এবার প্রশ্ন শেষ হল, কোথায় অর্থাৎ কোন্ স্থানের মানুষ এর কাজ শুরু করেছে। কারণ, এক জায়গায় কিছু মানুষ একটা সময়ে একরকম কাজ করত। আবার, অন্য জায়গায় অন্য মানুষ ওই একই সময়ে অন্যরকম কাজ করত। শিলনোড়া, হামানদিস্তা আর মিক্সার মেশিনের উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যায় কোন্টা আগে আর কোন্টা পরে শিখেছে মানুষ। ইতিহাস বলে মানুষ আগে পাথরের শিলনোড়া, তারপর ধাতুর হামানদিস্তা এবং অবশেষে মিক্সার মেশিনে ব্যবহার শিখেছে।
14. ইতিহাসের কথা গল্পের মতো হলেও সত্যি কেন?
উত্তর :- ইতিহাস মানে অতীত অর্থাৎ পুরোনো দিনের কথা। পুরোনো দিনের লেখা পড়ে কিংবা ছবি দেখে ইতিহাসের কথা কিছু আন্দাজ করা যায়। যেমন-বয়স্ক লোকেদের মুখ থেকে পুরোনো কথা কিছু জানা যায়। খুব বেশি পুরোনো হলে তা ছবি দেখে বা লেখা দেখে বুঝে নিতে হয়। কিন্তু যে সময়ে ছবি পাওয়া যায়নি বা লেখা পাওয়া যায়নি সেইসব দিনের কথা জানা যায় ইতিহাসের পাতা থেকে। আবার, এমন মনে হতে পারে যে, পুরোনো দিনের অনেক গল্পে তো পক্ষীরাজ ঘোড়া অর্থাৎ, পাখাওয়ালা ঘোড়ার কথা জানা যায়। তাহলে সেগুলো নিশ্চয়ই সত্য। এই ধারণাটাই মারাত্মক ভুল। কারণ একটা ঘোড়া কখনোই উড়তে পারে না। সুতরাং সেইসব গল্প আমাদের মনে আনন্দ দেওয়ার জন্য বানানো হয়েছে। এমন মনগড়া গল্প ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে না। তাই ইতিহাস গল্প হলেও একেবারে সত্য।
15. ইতিহাস জানতে গেলে অনেক নাম এবং সাল, তারিখ মনে রাখতে হয় কেন?
উত্তর :- ইতিহাস মানেই পুরোনো ঘটনা। ঘটনাগুলি ইতিহাসে লেখা হয় মানুষের জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে। যেদিন থেকে মানুষ দলবদ্ধ হয়েছে, দলনেতার অধীনে থেকেছে, সেদিন থেকে সেই দল বা দলনেতার নাম মনে না রাখলে সেই সময়ের ইতিহাস স্পষ্ট জানা যায় না।
প্রাচীন কালের ঘটনাসমূহ যা ইতিহাসে লেখা থাকে সেগুলি যে কত পুরোনো তার জন্য সময়ের মাপ অবশ্যই করতে হয়। যেমন-আমি জন্মেছি ২০০২ খ্রিস্টাব্দে, আমার বাবা জন্মেছেন ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে, আমার বাবার বাবা অর্থাৎ ঠাকুরদা জন্মেছেন ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে। এগুলিকে বলা হয় সময়ের মাপ। ইতিহাসের ঘটনাবলিও তেমনি একই দিনে বা একই বছরে ঘটেনি। সেগুলি আগে পরে ভাবতে গেলে আমাদের সন-তারিখ মনে রাখতেই হবে। তারিখ, মাস, সাল, দশক, শতাব্দী, সহস্রাব্দ ইত্যাদি হল সময় মাপার হিসাব। ইতিহাসের ঘটনাবলি কোন্ স্থানে, কোন্ সময় ঘটেছে সেগুলি মনে রাখার জন্য তারিখ, মাস, সাল, দশক, শতাব্দী, সহস্রাব্দ অনুসারে সাজাতে হয়। তা ছাড়া ইতিহাসের যে বিভিন্ন ঘটনার পরিচয় জানা যায় সেই ঘটনাগুলি একই স্থানে ঘটেনি। তাই সেই সেই স্থানের নাম আমাদের মনে রাখা একান্তই জরুরি।

No comments:
Post a Comment